গফরগাঁওয়ে শেষ মুহুর্তে প্রার্থীরা প্রচারণায় ব্যস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে আগামী ৫ জানুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সর্বত্রই বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ।শেষ মূহুর্তে প্রার্থীরা তাদের ভোট ব্যাংক সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।ইউপি চেয়ারম্যান,সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীরা শেষ সময়ের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সরেজমীনে কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায় প্রার্থীরা মাইকিং,লিফলেট বিতরণ ,মিছিল ও সমাবেশ করছে।সাধারণ ভোটারদের মাঝে একটা উৎসাহের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে আর ভোট ও সমর্থন প্রার্থনা করছে।উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টি ইউনিয়নের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছে বাকী ৪ টিতে একাধিক প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্ধিতা করছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে সাইফুল আলম,মঈনুল হক মঈন সরকার চশমা প্রতীকে। মশাখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মোস্তফা কামাল মণি,আনারস প্রতিকে একেএম ফেরদৌস আলম। টাংগাবর ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মোফাজ্জল হোসেন সাগর,আনারস প্রতিকে শফিকুল ইসলাম পলাশ। নিগুয়ারী ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে মোঃ তাজুল ইসলাম মৃধা ও মোঃ হাদিউল ইসলামকে আনারস প্রতিকে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা করতে দেখা যায়।এছাড়াও উপজেলার ১১টি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী পদে বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছে।বাকী সকল ওয়ার্ড গুলোতে প্রার্থীদের প্রচারণার তোরজোড় লক্ষ্য করা যায়।বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা যশরা,উস্থি,চরআলগী,নিগুয়ারী,টাংগাব ইউনিয়নে ইউপি সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।নির্বাচনের ¯এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী,চুর,ডাকাত প্রার্থীদের সাথে মিশে গেছে বলে একাধিক প্রার্থী অভিযোগ করে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়. নির্বাচন কে সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করতে নির্বাচন অফিস ১৪৬ জন প্রিজাইডিং,৮৮৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং ও ১৭৬৮ জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছে।ইউনিয়নের মোট ১৪৬ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে।মোট ভোটার সংখ্যা ৩,২৬,৫৭৮ জন।
রসুলপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের সাথে কথা বলে জানা যায়।আওয়ামীলীগের তৃণমূলের রাজনিতী ধ্বংস করতে এক শ্রেণীর লোক জামাত বিএনপির সাথে লিয়াজু করছে।দলীয় মনোনয়ন চেয়ে তারা পায়নি।বিদ্রোহী প্রার্থীদের জনগণ প্রশ্রয় দিবে না।ইনশাআল্লাহ আগামী ৫ তারিখের নির্বাচনে আমার বিজয় হবে।
মঈনুল হক মঈন সরকার বলেন আমি চশমা প্রতিকে নির্বাচন করছি।এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে।আমার বিজয় সুনিশ্চিত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন,নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করতে পর্যাপ্ত বিজিবি,র‌্যাব,পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।এছাড়াও থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স।জনগনের জান ও মালের কোন ক্ষতি হতে দেয়া হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.